উপমহাদেশে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গবেষক, আবিস্কারক, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও দার্শনিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিসনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি, উত্তরা-১০, ঢাকা এর ইন্সটিটিউট অব এগ্রিকালচার এর শিক্ষক-প্রফেসর ড.এম.এ. সাত্তার ২০২৪ সালে “ঘবঢ়ধষ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঊীপবষষবহপব অধিৎফ-২০২৪”, “শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী পীস্ অ্যাওয়ার্ড ২০২৪”, মহত্মা গান্ধী পীস্ অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ এবং ২০২৩ সালে “শেরে বাংলা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড-২০২৩” পদক ও সম্মানে ভ‚ষিত হন। শিক্ষায় বলিষ্ঠ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এই তিনটি আন্তর্জাতিক ও একটি জাতীয় পদক, পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন যার বর্ণনা, পরিচিতি ও আনুষ্ঠানিকতা পৃথকভাবে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্টের মাধ্যমে সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যে এখানে একটি অধ্যায়ে ভরে তোলা হল।
৭৫ বৎসর জীবনযাত্রায় ৫১ বৎসর ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাসহ (বাকৃবি-৪২ বৎসর, বশেমুরবিপ্রবি-৫.৫ বৎসরঋওট-তে, ১ বৎসর ও ওটইঅঞ-২ বৎসর) প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম.এ. সাত্তার ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় ধীতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণকারী (১২ জানুয়ারী ১৯৪৯ ইং) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ময়মনসিংহ হতে প্রথম শ্রেণীতে ¯œাতক (১৯৭০) ও ¯œাতকোত্তর (১৯৭২) ডিগ্রী অর্জন করে ১৯৭৩ সালে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে লেকচারার পদে যোগদান করেন এবং সুদীর্ঘ ৪২ বৎসর শিক্ষকতা ও গবেষণায় বলিষ্ঠ অবদান রেখে বাকৃবিতে কৃষি অনুষদের ডিন হিসেবে কর্মজীবন সমাপ্ত করে ২০১৫ সালে অবসরে যান। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি), গোপালগঞ্জে ৫.৫ বৎসর (২০১৬-২০২১), ঢাকায় ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ঋওট) ১ বৎসর (২০২২) এবং বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিসনেস এগ্রিকালচার ও টেকনোলজি (ওটইঅঞ), উত্তরা, ঢাকায় প্রায় গত ২ বৎসর শিক্ষকতা ও গবেষণায় কর্মরত।প্রফেসর সাত্তার ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫১ বৎসর শিক্ষকতা জীবনে (প্রফেসর ৩৩ বৎসর) ৩টিতে ডিন, ২টিতে সিন্ডিকেট/রিজেন্ট বোর্ড সদস্য এবং ৬ বার বিভাগীয় প্রধান (চেয়ারম্যান) এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাকৃবি ও বশেমুরবিপ্রবি এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ চেষ্টায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগও প্রতিষ্ঠা করেন যেখান থেকে ¯œাতক ও ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে শতশত পরিবেশ বিজ্ঞানী দেশ সেবায় বরিষ্ঠ অবদান রাখছে। তিনি বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ে লেকচারার, সহকারী প্রফেসর, সহযোগী প্রফেসর ও প্রফেসর নিয়োগ কমিটিতে থেকে সুষ্ঠু শিক্ষক নিয়োগে দেশ সেবা ও জাতীয় অগ্রগতিতে বলিষ্ঠ অবদান রাখছেন।
১৯৭৬-৮৪ সালে মাত্র ২৬-৩৫ বৎসর বয়সে বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি যিনি ৪টি চযউ সমমানে ডিগ্রী অর্জন করে দেশকে সম্মানের আসনে স্থান করে দেন। তিনি বাকৃবিতে ¯œাতকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ বৃত্তি ও দাউদ ফাউন্ডেশন বৃত্তি এবং ¯œাতকোত্তর গবেষণায় টঝঅওউ ফেলোশিপে পড়াশুনা করেন। ফিনল্যান্ডে ফিনিশ সরকারের ফেলোশীপে খরপচযরষ ও উচযরষ ডিগ্রী এবং পোষ্টডক গবেষণা ঈভাসকোলা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়ন বিভাগের ল্যাবে সিনিয়র ফেলোসিপে কর্মরত থেকে এবং যুক্তরাষ্টে দুইটি ওপেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২টি উঝপ ও ঝপউডিগ্রির থিসিসের জন্য একই ল্যাবে উচ্চমান গবেষনা ও প্রকাশনা বিশ্বে বিজ্ঞান জগতে যুগান্তকারী সফলতা নিয়ে আসেন যেখানে ফিনল্যান্ডে ঈভাসকোলা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ১৯৭৯ সালে এ্যালেন ও আরটুরী নুসস্যান ফাউন্ডেশন পদক এবং ১৯৮২ সালে ওলারী ফাউন্ডেশন পদকে ভ‚ষিত হন। ইতিহাসে তিনিই প্রথম বাংলাদেশেী যিনি ফিনিশ সরকারের বৃত্তিতে ঈভাসকোলা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, গবেষণা ও আবিস্কারে সুদীর্ঘ ৯ বৎসর (৩০০০ দিন)।
মহাপÐিতত্ব অর্জন করেও দেশের মায়ায় ১৯৮৪ সালে ফিরে আসেন। ফিনল্যান্ডে পরিবেশ বিজ্ঞানের পেস্টিসাইড শাখায় তার গবেষণা, আবিস্কার ও প্রকাশনা এতই সুউচ্চে ছিলো যা পরে তাকে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম কৃষি ও পরিবেশ বিজ্ঞানী হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর স্বর্ণপদকও লাভ করেন।
প্রফেসর সাত্তার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ফিনল্যান্ডের ঈভাসকোলা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে ৯ বৎসর (১৯৭৬-৮৪), ঞডঅঝ ফেলোশীপে ভারতের বিশ্বভারতীতে ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট, পাকিস্তানের পাঞ্চাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর, জার্মানীর কীল বিশ্ববিদ্যালয়ে উঅঅউ ফেলো এবং জার্মানীর ডুইসবোর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেন ক্যাম্পাসে ঙচঈডউ ফেলো হিসেবে শিক্ষা, গবেষণা ও আবিস্কারে বলিষ্ঠ সুখ্যাতি অর্জন করেন। প্রফেসর সাত্তারের গবেষনা, প্রকাশনা ও আবিস্কার সুবিশাল ২০০০ এর অধিক-যেখানে আন্তর্জাতিক জার্ণালে ৪০, জাতীয় জার্ণালে ২০০, পত্র পত্রিকায় কলাম ৬৫০, বই পুস্তক ২৫০, সম্মেলন এ্যাবষ্টাক্ট ১৫০, সম্মেলন প্রসিডিংস ৫০, ট্রেনিং ও প্রশিক্ষণে প্রবন্ধ ৫০, মডেল/স্কীম (বিজ্ঞান) ২৬০, মডেল/স্কীম সাহিত্য/দর্শন, এমএস ছাত্রছাত্রীর থিসিস সুপারভাইজার ১৫০, পিএইচডি ছাত্রছাত্রীর থিসিস সুপারভাইজার ১৫, জাতীয় পরিবেশ বিজ্ঞান সম্মেলনের আয়োজক (কনভেনর) এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে অসংখ্যবার সেশন চেয়ারম্যান এর দ্বায়িত্ব পালন
Recent Comments